গ্রেপ্তারকৃত মো. সিফাত ওরফে মো. জিয়াউল হাসান বন্দর উপজেলার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের নবীগঞ্জ উইলসন রোড এলাকার মো. রিপন মিয়া ওরফে আসলাম সরদারের ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. মনির হোসেন বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় মাস আগে সিফাত নিজেকে এসিআই কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে মনিরসহ ১৫ জন চাকরিপ্রার্থীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। ভালো বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে গত বছরের ১০ জুলাই সে তাদের কাছ থেকে মোট ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে বিভিন্ন সময়ে তাদেরকে নিজ বাড়িতে ডেকে এসিআই-এর লোগো ও সিলযুক্ত ভুয়া নিয়োগপত্র প্রদান করে। ওই নিয়োগপত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে ভুক্তভোগীরা প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামালউদ্দিন জানান, গ্রেপ্তারকৃত সিফাত একটি পেশাদার প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। বিভিন্ন পদে চাকরির ভুয়া নিয়োগপত্র দেখিয়ে সাধারণ মানুষের টাকা আত্মসাৎ করাই তার মূল পেশা। দায়েরকৃত মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মতামত