সারাদেশ

শিগগিরই শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

প্রিন্ট
শিগগিরই শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

প্রকাশিত : ৪ জুলাই ২০২৬, সন্ধ্যা ৮:৪৬

আগামী ১০ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে রংপুর নগরীসহ দেশের প্রতিটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

শনিবার সকালে রংপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মিলনায়তনে রংপুর বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেলেও নির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। এ লক্ষ্যে প্রথমে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পরে প্রশিক্ষিত কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। সংগৃহীত তথ্য কম্পিউটারভিত্তিক যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে উপকারভোগী চূড়ান্ত করা হবে।

তিনি জানান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন ভাতা ও আর্থিক সহায়তা বর্তমানে সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় প্রদেয় আর্থিক সহায়তাও একই পদ্ধতিতে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ নিবন্ধিত প্রতিবন্ধী রয়েছেন। তাঁদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীল জনসম্পদে পরিণত করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ইতোমধ্যে সারাদেশে ৪৫টি মোবাইল থেরাপি ইউনিট সেবা দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণ শেষে কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বিনামূল্যে বিতরণের পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের বিনাসুদে ঋণ দেওয়া হচ্ছে।

দুর্নীতির বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির অভিযোগও দুর্নীতি দমন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো তদন্ত করছে।

আলোচনা সভায় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুবসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।