ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ছেলে ইমন খুন হওয়ার পর জাহিদসহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন ওমর খৈয়াম। এরপর থেকেই মামলা তুলে নিতে আসামিরা তাকে লাগাতার হুমকি দিচ্ছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধান আসামি জাহিদ বোরকা পরে ৭-৮ জন মুখোশধারী সহযোগীকে নিয়ে বাদীর বাড়িতে প্রবেশ করে। মামলা তুলে না নেওয়ায় তারা ওমর খৈয়ামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে চিৎকারে আশেপাশের মানুষ ছুটে এলে তারা গুলি করতে করতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এলাকাবাসীর তথ্যমতে, জাহিদ এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি ও দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক খুনের ঘটনায় জড়িত থাকায় সে এলাকায় কিলার জাহিদ নামে পরিচিত। এর আগে র্যাবের ওপর হামলা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি এবং পুলিশের এক এসআইকে ছুরিকাঘাত করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মো. মাহবুব আলম জানান, জাহিদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে সে প্রায়ই বোরকা পরে আত্মগোপনে চলাফেরা করে, যার কারণে তাকে ধরতে বেগ পেতে হচ্ছে।
মতামত