মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুন রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে কল্যান্দী ভাঙ্গা ব্রিজের কাছে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন জোবায়ের। ছিনতাইকারীরা ধারালো ছুরি ঠেকিয়ে টাকা ও মোবাইল ফোন দাবি করলে জোবায়ের বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছিনতাইকারীরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে গুরুতর জখম করে। পরে তার মোবাইল ও নগদ ৩ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
গুরুতর অবস্থায় জোবায়েরকে উদ্ধার করে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ জুন তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের পিতা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন কালু বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব-১১ জানায়, ঘটনার পর থেকেই আসামিদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মূল হোতা সজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মতামত