অনুসন্ধানে জানা গেছে, চিহ্নিত মাদক কারবারি রমজানকে এলাকায় পুনর্বাসন ও নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ করে দিতে একটি চক্র ৯০ হাজার টাকার গোপন চুক্তি করে। চুক্তির পর রমজান এলাকায় ফিরে ইস্পাহানি একরামপুর বাজারে গ্যারেজ ব্যবসার আড়ালে পুনরায় মাদক ব্যবসা শুরু করেন। তবে চুক্তির পুরো টাকা পরিশোধ না করায় চক্রের সদস্য মনির, কাশেম ও রাকিবের মধ্যে মারামারি ও হট্টগোল হয়।
পরবর্তীতে স্থানীয় একটি কার্যালয়ে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ৩০ হাজার টাকা রফদফা করা হয় এবং বাকি ৬০ হাজার টাকার গ্যারান্টি নেন আরেক মাদক কারবারি হবি ও তার মেয়ে। স্থানীয় সংসদ সদস্যের মাদকবিরোধী অবস্থানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এভাবে চিহ্নিত মাদক কারবারিদের পুনর্বাসন ও প্রকাশ্য সালিশের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এই সালিশি দ্বন্দ্ব ও অবৈধ মাদক ব্যবসার বিষয়টি আড়াল করতে এবং জনমনে সহানুভূতি পেতে বুধবার দুপুরে রমজান নিজের গায়ে কেরোসিন ঢেলে বন্দর থানার ফটকে আগুন দেওয়ার চেষ্টা চালান। তবে পুলিশ ও উপস্থিত জনতা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে বাধা দেওয়ায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, রমজান নামে এক যুবক হঠাৎ দৌড়ে থানায় এসে নিজের শরীরে আগুন দেওয়ার চেষ্টা চালায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এলাকায় কিছু লোকের সাথে বিরোধের জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে সে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের দাবি, এই আত্মহত্যার নাটকের সুষ্ঠু তদন্ত করে নেপথ্যে থাকা মাদক গডফাদারদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।
মতামত