স্থানীয় সূত্রের দাবি, আব্দুস সামাদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংশ্লিষ্ট একটি হত্যা মামলার আসামি। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অতীতেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায় হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ হয়ে মেঘনা ডিপোকেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, তেল চুরি, চাঁদাবাজি এবং প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন কোনো প্রমাণ এই প্রতিবেদকের হাতে আসেনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্যাংকলরি মালিক সমিতির সভাপতি পদে নির্বাচনের লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন মহলে তদবির চালাচ্ছেন। এমনকি প্রভাব খাটিয়ে সমর্থন আদায়েরও চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব কারণে সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, তার অর্থায়নে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী এলাকায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। তবে এ অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আব্দুস সামাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ট্যাংকলরি মালিক সমিতির নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও বিতর্কমুক্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
মতামত