রোববার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের শ্রম অধিদপ্তর অনুমোদিত শেরপুর জেলা ব্যাটারিচালিত রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজি. নং-ঢাকা-৩৯৯০) উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক অংশ নিয়ে বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাদের দাবি তুলে ধরেন।
শ্রমিকদের দাবির মধ্যে রয়েছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার লাইসেন্স ফি ৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৫ হাজার ৫০০ টাকা, মিশুক ও রিকশার লাইসেন্স ফি ৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং চিকন চাকার রিকশার লাইসেন্স ফি ৩ হাজার টাকা থেকে ২ হাজার টাকা নির্ধারণ। এছাড়া লাইসেন্সবিহীন রিকশার জরিমানা ১ হাজার ৫০ টাকা থেকে কমিয়ে ৫৫০ টাকা করা এবং নতুন আরোপিত ১ হাজার টাকার জরিমানা বাতিলের দাবি জানান তারা।
এছাড়া লাইসেন্স ফি থেকে আদায় করা অর্থের একটি অংশ শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে বরাদ্দ দিয়ে চিকিৎসা সহায়তা, মৃত্যুকালীন অনুদান ও বিভিন্ন ভাতার ব্যবস্থা এবং প্রকৃত শ্রমিক শনাক্তে ইউনিয়নের সদস্য পরিচয়পত্র যাচাই করে পৌরসভার মাধ্যমে লাইসেন্স দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপদেষ্টা নিকছন, সিনিয়র সহসভাপতি শফিল মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমন, সহসাধারণ সম্পাদক আল-আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক, প্রচার সম্পাদক বাচ্চু মিয়া, শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক আহাজ উদ্দিনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।
এ সময় সংগঠনের সভাপতি ও শেরপুর জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং পৌর মেয়র পদপ্রার্থী মো. আনোয়ারুল সাদ্দাত সুইট, স্থানীয় সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা হলে তাদের জীবনমানের উন্নয়নের পাশাপাশি পৌরসভার সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। অন্যথায় দাবি আদায়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।
মতামত