নিহতের পরিবারের অভিযোগ, রাজনীতি ছাড়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহাদাত প্রধানের সঙ্গে রাজুর বিরোধ তৈরি হয়। পূর্ববিরোধের জের ধরে শাহাদাতের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রাজুর বাড়িতে হামলা চালায়। রাজুকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার পরিবারের নারী সদস্যদেরও মারধর করা হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় রাজুকে উদ্ধার করা হলেও পরে তার মৃত্যু হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা শাহাদাত প্রধান জানান, তিনি বেশ কিছুদিন ধরে শহরে অবস্থান করছেন এবং প্রতিপক্ষরা আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তার নাম জড়াচ্ছে। শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, নিহত রাজু দলীয় পদধারী না হলেও একজন সমর্থক ছিলেন।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এটি রাজনৈতিক, পারিবারিক নাকি অন্য কোনো বিরোধের জেরে ঘটেছে, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মতামত