ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রী নিরালা ও শ্যালিকা বৃষ্টিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় বাড়িওয়ালার স্ত্রী দরজার ফাঁক দিয়ে লোহার অ্যাঙ্গেলের সাথে রশি পেঁচানো হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থায় নাজিমের দেহ দেখতে পান। পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তিন পৃষ্ঠার একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে। চিরকুটে নিহত নাজিম তার মৃত্যুর জন্য স্ত্রী, শ্যালিকা এবং স্ত্রীর কথিত পরকীয়াপ্রেমিক রাজুকে দায়ী করে গেছেন।
তবে ঘটনার ধরন ও উদ্ধার হওয়া তথ্যে গভীর রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘরের দরজা ভেতর থেকে আটকানো থাকলেও জানালার ফাঁক দিয়ে চলাচলের সুযোগ ছিল বলে স্থানীয়রা জানান। নিহতের মা জানান, মৃত্যুর আগে রাত বারোটার দিকে নাজিম অন্য একজনের নম্বর থেকে ফোন করে কান্নাকাটি করে তাকে মেরে ফেলা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। এছাড়া নিহতের মোবাইল ও অন্যান্য জিনিসপত্র মৃত্যুর আগের রাতেই বাড়িওয়ালার কাছে জমা রাখা এবং স্ত্রীর দেয়া তথ্যে একাধিক অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
মতামত