পারিবারিক ও ব্যক্তিগত অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৮ জুলাই নির্বাচন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন মোসলেহ সেলিম। দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনে অসৎ ও বহিরাগত প্রার্থীদের উপস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, সংগঠনের সুবিধার্থে প্রকৃত ও সৎ শ্রমিক নেতৃত্ব তুলে আনার লক্ষ্যেই তার এই আত্মত্যাগ।
মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর থেকে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে শ্রমিকদের আড্ডায় ঘুরপাক খাচ্ছে তার নাম। সম্প্রতি টিম আলোকিত শীতলক্ষ্যা নামের একটি সংগঠনের ১০০ জন ভোটারের ওপর চালানো ১০ দিনের এক জরিপে দেখা যায়, ৩৭ শতাংশ ভোটার মোসলেহ সেলিমের পরামর্শ নিয়ে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত অপেক্ষা রাখছেন।
স্থানীয়দের মতে, প্রবাস থেকে ফেরার পর সাইলো রোড ও আশপাশের এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, চাঁদাবাজি এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রমে তার ইতিবাচক ভূমিকা ছিল। এমনকি সাইলো খাদ্যগুদামের কর্মকর্তারাও তার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়কালকে শান্তিপূর্ণ বলে মূল্যায়ন করেছেন।
নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে তাকে নিয়ে কৌতূহল ততই বাড়ছে। শেষ মুহূর্তে মোসলেহ সেলিম কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেবেন কি না এবং তার সেই সমর্থন ভোটের মূল সমীকরণ বদলে দেবে কি না তা দেখতে এখন নির্বাচনের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
মতামত