গ্যাসের অভাবে বাসাবাড়িতে গৃহিণীদের রান্নাবান্না পুরোপুরি বন্ধের উপক্রম। বাধ্য হয়ে অনেকে ঝুঁকছেন হোটেল-রেস্তোরাঁর খাবারের দিকে, যা বাড়তি খরচের পাশাপাশি স্বাস্থ্যহানির ঝুঁকি তৈরি করছে। অন্যদিকে শহরের বাইরের এলাকাগুলোতে অনেকেই এলপিজি কিনে বা বাধ্য হয়ে সনাতন পদ্ধতির মাটির চুলা ও লাকড়ি ব্যবহার শুরু করেছেন।
এদিকে সিএনজি স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছে যানবাহন। রাইড শেয়ারিং ও ভাড়ায় চালিত সিএনজি অটোরিকশার চালকরা পড়েছেন উপার্জনের ঝুঁকিতে। শিল্পাঞ্চলগুলোতেও গ্যাসের নিম্নাচাপের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কারখানা মালিকরা।
এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস নারায়ণগঞ্জের আঞ্চলিক বিপণন বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক মনজুর আজিজ মোহন জানান, জেলায় প্রায় ৮১ হাজার গ্রাহক রয়েছেন এবং কয়েক দিন ধরে সরবরাহজনিত কিছু স্বল্পতা চলছে। আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে এ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মতামত