অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিতর্কিত কর্মচারী চেকার ফারুক ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ক্যাজুয়াল স্টাফ রবির মাধ্যমে ডিপোর তেল চুরি সিন্ডিকেটটি নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। পূর্বে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ফারুককে ঢাকায় বদলি করা হলেও পরবর্তীতে তিনি পুনরায় গোদনাইল ডিপোতে ফিরে আসেন। বর্তমানে ডিপোর পানির পাম্পে কর্মরত থাকলেও মোবাইল ফোনে রবির মাধ্যমে পুরো চক্র পরিচালনা করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
স্বল্প বেতনের ক্যাজুয়াল স্টাফ হয়েও রবির বিলাসবহুল জীবনযাপন, কোটি টাকার সম্পদ এবং মাসে মোটা অঙ্কের টাকা বাসা ভাড়া দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ডিপো এলাকায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিয়ম বহির্ভূতভাবে ট্যাংকলরিতে তেলের পরিমাণ নির্ধারণসহ ডিপোর বিভিন্ন পয়েন্টে এ চক্রটির প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, অতীতেও এই চক্রটি রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে কোটি কোটি টাকার জ্বালানি তেল চুরি করেছে। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পরও নানা মহলে মাসোহারা ও অনৈতিক সুবিধা দিয়ে বহাল তবিয়তে রয়েছে এই সিন্ডিকেট।
সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ও সম্পদ রক্ষা এবং ডিপোর শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত সময়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তদন্তসহ উচ্চপর্যায়ের গোয়েন্দা নজরদারির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বৈধ ব্যবসায়ীরা।
মতামত