সারাদেশ

এনসিপির মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ আলোচনার কেন্দ্রে সামান্তার অনুপস্থিতি

প্রিন্ট
এনসিপির মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ আলোচনার কেন্দ্রে সামান্তার অনুপস্থিতি

প্রকাশিত : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, দুপুর ২:৩০

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রথম দফায় একশ পঁচিশ প্রার্থীর মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি। পরবর্তী ধাপে বাকি আসনগুলোর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। প্রথম ধাপে ঘোষিত তালিকায় কেন্দ্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মনোনয়ন থাকলেও আলোচিত নেতা ও দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিনের নাম নেই।

বুধবার সকালে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তালিকা ঘোষণা করেন দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান শাপলা কলি মার্কার বিজয়ের লক্ষ্যে সবাইকে মাঠে নামতে হবে এবং দেশবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।

দল গঠনের শুরু থেকেই সামান্তা শারমিন নেতৃত্বের সামনের সারিতে ছিলেন। দল ঘোষণার আগেই তিনি জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। শোনা যাচ্ছিল আসন্ন নির্বাচনে তিনি রংপুর এক আসন থেকে প্রার্থী হতে পারেন। সামান্তা শারমিন এবং ডা. তাসনিম জারা এনসিপির নেতৃত্বের প্রধান ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত। দুজনকে নিয়ে দলে ও জনমনে আগ্রহ রয়েছে। এবারের তালিকায় চৌদ্দ জন নারী প্রার্থী মনোনয়ন পেলেও সামান্তার নাম না থাকায় বহু নেতা কর্মী বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

মনোনয়ন তালিকায় সামান্তার অনুপস্থিতি সম্পর্কে যুগ্ম সদস্যসচিব ও মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন জানান সামান্তা শারমিন নির্বাচন করতে আগ্রহী নন। তিনি নির্বাচন করতে চাইলে পরবর্তী ধাপে তার নাম আসতে পারে।

মনোনয়ন প্রক্রিয়া বিষয়ে সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন প্রাথমিক তালিকার কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ বা প্রতিকূলতা পাওয়া গেলে যাচাই করে প্রয়োজন হলে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হবে। তিন ধাপে সব আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি জানান।

দলের যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা জানান এবারের মনোনয়নে যোগ্য ও ব্যতিক্রমী প্রার্থীদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তারা নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে গণভোটে অংশ নেবেন।

মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভোটারদের হ্যাঁ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন দল দুর্নীতি চাঁদাবাজি বা ক্ষমতার অপব্যবহারে জড়িত কাউকে সংসদে পাঠাতে চায় না। নির্বাচনি আইন ভঙ্গ করলে যে কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হবে।