সারাদেশ

তিস্তার চরে পেঁয়াজের বাম্পার ফলনের হাতছানি: কমবে আমদানি নির্ভরতা

প্রিন্ট
তিস্তার চরে পেঁয়াজের বাম্পার ফলনের হাতছানি: কমবে আমদানি নির্ভরতা

প্রকাশিত : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, রাত ১০:১০

উত্তরাঞ্চলের নীলফামারী,লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার তিস্তা নদীর অববাহিকা ও চরাঞ্চল জুড়ে এখন সবুজের সমারোহ। যে চরাঞ্চল কিছুদিন আগেও বন্যার পানিতে নিমজ্জিত ছিল, সেখানে এখন মাঠজুড়ে পেঁয়াজের ব্যাপক আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার বাম্পার ফলনের আশা করছেন চাষিরা।

রংপুর বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে এই অঞ্চলের প্রায় ৭ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় দেড় লাখ টন। নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা, লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা ও কালীগঞ্জ এবং রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে এই আবাদ লক্ষ্য করা গেছে। কৃষিবিদদের মতে, এই ফলন এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

 বিগত বছরগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পেঁয়াজ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় ভারত থেকে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়েছিল, যার ফলে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। কৃষি বিভাগ মনে করছে, এবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে আমদানি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্য হারে কমবে এবং পেঁয়াজের বাজার দর স্থিতিশীল থাকবে।

জলঢাকা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা খোরশেদ আলম বলেন, পেঁয়াজ চাষে উৎসাহিত করতে কৃষকদের প্রণোদনার আওতায় উন্নত বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। পাতা মড়ক রোগ দমনে ও ফলন বৃদ্ধিতে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ ও নিবিড় পরিচর্যা অব্যাহত রয়েছে।

চরের কৃষকরা জানান, সরকারি সহায়তা ও সঠিক পরামর্শ পাওয়ায় তারা এবার অধিক লাভের স্বপ্ন দেখছেন।