নীলফামারীর জলঢাকায় বিয়ের স্বীকৃতি ও গর্ভস্থ সন্তানের পিতৃপরিচয়ের দাবিতে স্বামীর বাড়িতে অবস্থান নেওয়ায় এক অন্তঃসত্ত্বা তরুণীকে (২২) শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই তরুণী বর্তমানে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
ঘটনাটি ঘটেছে ইউনিয়নের খালিশা খুটামারা গ্রামে। ভুক্তভোগী বেবিনা আক্তার জানান, একই ইউনিয়নের মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুস শুকুরের ছেলে তৌফিকুর রহমান সম্রাটের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত অক্টোবর মাসে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। সম্প্রতি বেবিনা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে সম্রাট যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
স্বীকৃতির দাবিতে গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে বেবিনা স্বামীর বাড়িতে অবস্থান নেন, এ সময় সম্রাট পালিয়ে যান। অভিযোগ উঠেছে, গত ২ ও ৩ জানুয়ারি দফায় দফায় সম্রাটের বাবা, মা ও ভগ্নিপতি মিলে বেবিনাকে মারধর করেন। এমনকি গর্ভস্থ সন্তান নষ্ট করার উদ্দেশ্যে তার পেটে লাথি মারা হয় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
খবর পেয়ে জলঢাকা থানার এসআই শামীম ঘটনাস্থল থেকে তরুণীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। ইউপি চেয়ারম্যান রকিবুল ইসলাম জানান, বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও ছেলের পরিবার সহযোগিতা করেনি।
জলঢাকা থানার পুলিশ জানায়, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মতামত