মেলায় উপজেলার ১৭টি গ্রামের অর্ধশতাধিক নারী কৃষক কয়েকশ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় ধান, সবজি, ডাল ও তেলবীজ প্রদর্শন করেন। বিশেষ করে মরিচশাইল, রানীস্যালোট, হিজলি, দিঘা, মোরগশাইল ও কালামাণিকের মতো দুর্লভ ধানের জাতগুলো দর্শকদের নজর কাড়ে। প্রদর্শনের পাশাপাশি কৃষকরা নিজেদের মধ্যে বীজ বিনিময় ও বিপণন করেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) থান্দার কামরুজ্জামান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের এই যুগে দেশীয় বীজই আমাদের প্রকৃত রক্ষাকবচ। প্রান্তিক নারী কৃষকদের এই সংরক্ষণ উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।
বিশেষ অতিথি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিকী বলেন, টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিজস্ব বীজের কোনো বিকল্প নেই। লোকজ-এর নির্বাহী পরিচালক দেবপ্রসাদ সরকার জানান, নারী কৃষকদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।
লোকজ-এর ট্রেজারার অজিত কুমার তরফদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান শেষে বীজের বৈচিত্র্য ও মান বিবেচনায় শ্রেষ্ঠ নারী কৃষকদের পুরস্কৃত করা হয়। এতে প্রথম স্থান অধিকার করেন করুণা মণ্ডল, দ্বিতীয় নমিতা সরকার এবং তৃতীয় হন শিউলী মণ্ডল। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী সকল কৃষাণীকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
মতামত