শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয়দের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বেশ কয়েকটি অসচ্ছল পরিবারের হাতে ছাগল তুলে দেওয়া হয়। এতে উপকারভোগীদের মাঝে দেখা যায় আনন্দ ও আশার সঞ্চার।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিডোর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. আব্দুস সালাম সুজা। তিনি বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একটি ছাগল থেকেই একটি পরিবারের অর্থনৈতিক কার্যক্রম শুরু হতে পারে এবং তা ধীরে ধীরে টেকসই আয়ের উৎসে পরিণত হয়।
তিনি আরও জানান, বিতরণকৃত ছাগল থেকে জন্ম নেওয়া প্রথম বাচ্চাটি অন্য একটি অসহায় পরিবারের কাছে হস্তান্তরের শর্ত রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে সহায়তার একটি ধারাবাহিক চক্র গড়ে তোলা হবে, যা পর্যায়ক্রমে আরও বেশি পরিবারকে স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিডোর সহ-সভাপতি প্রকৌশলী মো. আবু মুছা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ প্রভাষক মো. জবরুল হক ব্যাপারী, সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াছিন আলী সরকার, হিসাবরক্ষণ শাখার অডিটর মো. সফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
ছাগল পেয়ে উপকারভোগীরা সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের মতে, এ সহায়তা শুধু তাৎক্ষণিক নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে আয় বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং তাদের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
স্থানীয়দের অভিমত, গ্রামীণ অর্থনীতিতে গবাদিপশু একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এ ধরনের উদ্যোগ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
আয়োজকরা জানান, সিডো ভবিষ্যতেও দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আত্মকর্মসংস্থানমূলক বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মানবকল্যাণে কাজ করে যাবে।
মতামত