অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দ্বীন ইসলাম ও তার সহযোগীরা যুবলীগ-ছাত্রলীগের প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাতারাতি পরিচয় বদলে তারা যুবদল তকমা লাগিয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এলাকার মাদকাসক্ত ও বখাটে তরুণদের নিয়ে বিশাল এক বাহিনী গড়ে তুলেছে এই দ্বীন ইসলাম।
২০২৪-১১ সেপ্টেম্বর, জিওধরা চৌরাস্তায় বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে মাহাবুবকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে জখম করে এই বাহিনী। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হলেও অধরাই থেকে যায় হামলাকারীরা।
২০২৫-২২ অক্টোবর, ৫নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা সাহাদাত হোসেনকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
২০২৬-১৭ এপ্রিল, সর্বশেষ গত শুক্রবার জিউধরা এলাকায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ভেকু শ্রমিকদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় তারা। এতে আসিফ, আলমগীর ও জাহাঙ্গীরসহ ৫ জন আহত হন। এদের মধ্যে আসিফ ঢাকা মেডিকেলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
সর্বশেষ হামলার ঘটনায় পারভেজ, সজীব ও দ্বীন ইসলামসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রতিবারই তারা পার পেয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এই মূর্তিমান আতঙ্ক থেকে মুক্তি পেতে এবং দ্বীন ইসলাম বাহিনীর দ্রুত গ্রেপ্তারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মতামত