অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সুমিলপাড়া এলাকার রহমত আলীর স্ত্রী মুন্নি বেগম তার মেয়ের বিয়ের খরচের কথা চিন্তা করে স্থানীয় দীপ শিখা নামক একটি সঞ্চয় সমিতিতে গত ৬ বছর ধরে প্রতিদিন ১০০ টাকা করে জমা দিয়ে আসছিলেন। ৪নং বিবাদী লিপি বেগমের পরিচালিত এই সমিতিতে মুন্নির মোট জমানো টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
মুন্নি বেগম তার পাওনা টাকা ফেরত চাইলে লিপি বেগম তাকে প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে কিস্তিতে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। সেই অনুযায়ী তাকে মাত্র ৩০ হাজার টাকা ফেরত দিলেও বাকি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা তালবাহানা ও ঘুরাঘুরি করতে থাকেন।
গত ১৫ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মুন্নি বেগম তার বোনের ছেলে রুবেলকে সাথে নিয়ে পাওনা টাকা চাইতে গেলে বিবাদী লিপি বেগম, স্বপন, লিটন, শিল্পী ও জিনুকসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। ১নং বিবাদী স্বপন এসএস পাইপ দিয়ে রুবেলের মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। এসময় ২নং বিবাদী লিটন রুবেলের গলা থেকে ৩ হাজার টাকা মূল্যের একটি রুপার চেইন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থনীয়দের সহযোগীতায় আহতদের উদ্ধার করে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী মুন্নি বেগম জানান, আমি গরিব মানুষ, মেয়ের বিয়ের জন্য অনেক কষ্টে টাকাগুলো জমিয়েছিলাম। বিবাদীরা আমার টাকা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং বর্তমানে নানা ধরনের হুমকি দিচ্ছে।
এলাকাবাসী ও প্রশাসনের কাছে এই অসহায় নারী তার পাওনা টাকা উদ্ধারসহ দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মতামত