সর্বশেষ গত ১৩ মে সোনারগাঁয়ের মেঘনাঘাট পাওয়ার প্লান্টে সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে ১২ জন দগ্ধ হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার রাতে শংকর (২৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়।
গত ১১ মে ফতুল্লার কুতুবপুর এলাকায় গ্যাস লিকেজের আগুনে বাবা-ছেলেসহ চারজন দগ্ধ হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবা আব্দুল কাদের (৫০) ও ছেলে রাকিব মারা যান।
সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটে ১০ মে সকালে। ফতুল্লার উত্তর ভূইগড় এলাকার একটি আটতলা ভবনে গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন। মর্মান্তিক এই ঘটনায় সবজি বিক্রেতা কালাম, তার স্ত্রী ও তিন শিশু সন্তানের কেউই শেষ রক্ষা পাননি, তারা সবাই মারা গেছেন।
একের পর এক এমন বিস্ফোরণের ঘটনায় পুরো নারায়ণগঞ্জজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্যাস লাইনগুলোর বেহাল দশা এবং অবৈধ সংযোগের কারণেই প্রতিনিয়ত এমন দুর্ঘটনা ঘটছে।
সচেতন মহলের মতে, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের গাফিলতি এবং সিলিন্ডার ব্যবহারে নিরাপত্তার অভাব এই প্রাণহানির প্রধান কারণ। অগ্নিকাণ্ড ও জানমালের ক্ষতি রোধে অবিলম্বে ত্রুটিপূর্ণ লাইন সংস্কার এবং কঠোর প্রশাসনিক নজরদারির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
মতামত