সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ফিরোজা বেগম জানান, কুতুবপুর মৌজায় (দাগ নং-এসএ ৩৬৪, আরএস ৭৫৪) তিনি ১১ শতাংশ জমির পৈতৃক মালিক। কিন্তু গত ১০ বছর ধরে তার দেবরের ছেলে ফারুক ও কাশেম আলীসহ একটি চক্র তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব খাটিয়ে তার সাড়ে ৮ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করে রাখে। তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দখলদাররা পালিয়ে গেলে ৮ আগস্ট তিনি তার জমি বুঝে পান। কিন্তু চলতি বছরের ২৭ রমজান ফারুক, কাশেম আলী, সুমন ও রোজিনাসহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী পুনরায় বাড়িটি দখল করে নেয়। সেদিন বিকেলে এলাকাবাসীর সহায়তায় বাড়িটি দখলমুক্ত করা হয়। কিন্তু ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে প্রতিপক্ষ কাশেমের মেয়ে রোজিনা সাংবাদিকদের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সরকারি অনুদান হাতিয়ে নেন।
ফিরোজা বেগম আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আমি নিজে ঘরবাড়ি ছেড়ে পরিবার নিয়ে পালিয়ে বেড়িয়েছি। এখন ওই চক্রটি নিজেদের বিএনপির লোক পরিচয় দিয়ে আমার বসতবাড়ি দখলে রেখেছে। তারা উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তুলছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি তার ও পরিবারের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুটি মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজা বেগমের ছেলে আনোয়ার হোসেন, মো. আনিস মিয়া এবং পুত্রবধূ জিয়াসমিন ও মিতু উপস্থিত ছিলেন।
মতামত