জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার এবং অভিযুক্ত আনোয়ার পশ্চিম তল্লার জসিম মিয়ার বাড়িতে পাশাপাশি কক্ষে ভাড়ায় বসবাস করেন। শিশুটির বাবা-মা পোশাক কারখানার কর্মী। শনিবার সকালে তারা কর্মস্থলে যাওয়ার পর বেলা ১১টার দিকে মোবাইলে চার্জ দেওয়ার কথা বলে আনোয়ার শিশুটির কক্ষে প্রবেশ করে। ঈদের কারণে অন্যান্য ভাড়াটিয়ারা গ্রামে চলে যাওয়ায় বাসাটি প্রায় ফাঁকা ছিল এই সুযোগে একা পেয়ে সে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। রাতে কাজ থেকে ফিরে মা বিষয়টি জানতে পারেন।
ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মাহাবুবুর আলম জানান, ভুক্তভোগী শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২২ মে রাতেও ফতুল্লার বক্তাবলীতে সাত বছরের আরেক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছিল স্থানীয়রা।
মতামত