রোববার (১৪ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াসিন আরাফাতের আদালত এ আদেশ দেন।
নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আবদুস সামাদ জানান, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক চন্দ্র মজুমদার আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ৪ জুন জামশেদের রিমান্ড মঞ্জুর হলেও তদন্ত কর্মকর্তা ব্যস্ত থাকায় তা কার্যকর করা যায়নি। পরে সময় বাড়ানোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আজ নতুন এই নির্দেশ দেন।
আদালতে বাদীপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী আওলাদ হোসেন, জিয়াউল ইসলাম ও প্রদীপ ঘোষ। বাদীপক্ষের আইনজীবীরা জানান, মামলার সার্বিক রহস্য উদঘাটনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আসামিকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।
২০১৩ সালের ৬ মার্চ নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খাল থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর থেকে জামশেদকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। মামলার অন্য আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী, আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বেই ত্বকীকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। আজমেরী ওসমান নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের ছেলে।
মতামত