এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলা সদরের থানা মোড়ের চা দোকানি বিপুল রায় হঠাৎ শরীরে অসুস্থতা ও তীব্র ঘুম অনুভব করেন। এরপর তিনি দ্রুত দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরেন। বাড়িতে গিয়ে মেয়ে বৃষ্টি রায়কে ডেকে অসুস্থতার কথা জানিয়ে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে রাতের খাবার খেয়ে মেয়ে বৃষ্টি রায়ও গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন।
এই সুযোগে গভীর রাতে অজ্ঞাতনামা চোর চক্র ঘরের দরজার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা চেতনা নাশক ওষুধ স্প্রে করে ঘরে থাকা মূল্যবান মালামাল লুট করতে থাকে। একপর্যায়ে চোরেরা বৃষ্টি রায়ের হাতের আংটি খুলতে গেলে ব্যথায় তার ঘুম ভেঙে যায়। চোখ মেলে তিনি খাটের পাশে তিনজনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে চিৎকার করে ওঠেন।
বৃষ্টির চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে চোর চক্রটি দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা বাবা ও মেয়েকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে বটিয়াঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মতামত