জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকার মৃত সাইজউদ্দিনের ছেলে মনির হোসেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান এবং থানা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। দেশের পটপরিবর্তনের পর প্রভাবশালী অনেক নেতা আত্মগোপনে গেলেও মনির দিব্যি প্রকাশ্যে ঘুরছেন।
ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট সেজে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে গিয়ে তিনি ইতিপূর্বে গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেছেন। এছাড়া মন্ত্রীদের স্বাক্ষর, ব্যাংকের পে-অর্ডার এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের সিল-স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।
চাঁদপুরের ইসহাক শিকদারের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা নিয়ে জমি বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো ভুয়া দলিলের মাধ্যমে প্রতারণা করেছেন। এমনকি আপন চাচার জমিও জাল দলিলের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। হিরাঝিল মক্কীনগর মাদরাসার জমি দখল করতে হামলা ও ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি সরকারি চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বহু মানুষের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দায়ের করা মামলায় মনিরের ছোট ভাই মফিজুল ইসলাম মজুকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেপ্তার করে। এরপরও শীর্ষ প্রতারক মনির পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ উঠেছে, তিনি ঢাকায় বসে গোপনে আওয়ামী লীগের দোসরদের সঙ্গে নাশকতার পরিকল্পনা করছেন।
এ বিষয়ে জানতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদুল হকের মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে, তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে সংযোগটি কেটে দেন।
মতামত