কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ বছর অনুকূল আবহাওয়া এবং সময়মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাটের ফলন বেশ সন্তোষজনক হয়েছে। তবে উৎপাদন খরচ ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি এবং শ্রমিক সংকট নিয়ে চাষিরা কিছুটা উদ্বিগ্ন। তারপরও বাজারে পাটের ন্যায্যমূল্য পাওয়া গেলে ভালো লাভের আশা করছেন তারা। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, সরকারিভাবে বাজার তদারকি জোরদার ও সংরক্ষণ সুবিধা বাড়ানো হলে তারা আরও বেশি জমিতে পাট চাষে আগ্রহী হবেন।
সোনালি আঁশখ্যাত পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও এ ফসল ভূমিকা রাখছে। কৃষকদের প্রত্যাশা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হলে দেশের কৃষি অর্থনীতিতে পাটের অবদান আরও বৃদ্ধি পাবে।
মতামত