পুলিশ জানায়, নিহত সাদিয়া আক্তার পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার উত্তর শিয়ালকাঠি গ্রামের মো. ইউসুফ মোল্লার মেয়ে। তিনি আদমজী ইপিজেডের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। গত ১ জুলাই স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে এক ব্যক্তিসহ তারা ওই বাসাটি ভাড়া নেন। সোমবার রাতে ঘরের খাটের ওপর সাদিয়ার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে বাড়ির মালিক পুলিশে খবর দেন। উদ্ধারের সময় মরদেহের মুখের বাম পাশে রক্ত জমাট বাঁধা অবস্থায় ছিল।
স্থানীয়দের ধারণা, সাদিয়ার সাথে থাকা ব্যক্তি তার প্রকৃত স্বামী নন, তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে সেখানে বসবাস করছিলেন। বাসা ভাড়ার সময় সাদিয়া নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দিলেও ওই ব্যক্তি কোনো তথ্য বা পরিচয়পত্র দেননি।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমদাদুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি একটি রহস্যজনক মৃত্যু, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। নিখোঁজদের পরিচয় শনাক্ত ও তাদের সন্ধানে পুলিশের তদন্ত চলছে।
মতামত