জানা যায়, প্রায় ২৫ বছর প্রবাসে কাটিয়ে দেশে ফেরা শওকতের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে মুন্নী বাহিনীর সদস্যরা। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় গত বছরের জুনে তাঁর ওপর প্রথম দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। পরে বিচারের আশায় শওকত আদালতে মামলা করলে গত বছরের ২১ অক্টোবর আসামিরা তাঁর ওপর পুনরায় বর্বরোচিত হামলা চালায়। ক্রমাগত নির্যাতন ও ক্ষতে ইনফেকশন সৃষ্টি হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৪ জুলাই মারা যান শওকত।
মৃত্যুর পরও নিস্তার পায়নি পরিবারটি। গত ১৯ জুলাই নিহত শওকতের ১৮ বছর বয়সী কন্যা জান্নাত আরাকে প্রকাশ্যে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় আসামিরা। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মৌসুমি বেগম বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ বন্দর থানায় নতুন লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা এলাকায় সক্রিয় মাদক কারবারি এবং ঢাকার ডেমরা এলাকার একটি হত্যা মামলার সাথেও জড়িত। পূর্বে মাদকমুক্ত অভিযানে আসা বন্দর থানা পুলিশের ওপরও হামলা চালিয়েছিল এই চক্র। রহস্যজনকভাবে তারা বারবার জামিনে বেরিয়ে এসে অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।
শওকতের মৃত্যুর পর থানায় অভিযোগ দেওয়া হলেও পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করছে না বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের। প্রধান অভিযুক্তরা পলাতক থাকলেও বাহিনীর অন্য সদস্যরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে ও নতুন করে হুমকি দিচ্ছে। এ অবস্থায় নিজেদের নিরাপত্তা ও শওকত হত্যার সুষ্ঠু বিচারে নারায়ণগঞ্জের জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে পরিবারটি।
মতামত