পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রামচন্দ্রী এলাকায় একটি মোটরসাইকেলসহ ওই দুজনকে সন্দেহজনকভাবে আটক করে এলাকাবাসী। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে গোপালদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই গোলাম মোস্তফা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেন। এ ঘটনায় আড়াইহাজার থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হলেও রহস্যজনকভাবে রাতেই তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, আটককৃতরা আড়াইহাজার থানার এসআই জহিরুল ইসলামের সোর্স হিসেবে কাজ করতেন। তাঁদের বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষকে মাদক দিয়ে ফাঁসানো, ব্ল্যাকমেইল ও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় যুবদল নেতা মফিজুল ইসলাম বলেন, আমরা এলাকাকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত পাহারা দিচ্ছি। এরা পুলিশের সোর্স পরিচয়ে মাদক নিয়ে এলাকায় ঢুকেছিল। আমরা এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চাই।
অভিযোগের বিষয়ে এসআই জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সবজেল হোসেন জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মতামত