গুরুতর অসুস্থ বা দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের দ্রুত সময়ে চিকিৎসা কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সেবার ব্যবহার বাড়ছে। উন্নত জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা সুবিধাসহ আকাশপথে স্থানান্তর হওয়ায় এ সেবা বর্তমানে জরুরি চিকিৎসার নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
সড়কপথে সময়ক্ষেপণ রোগীর অবস্থার অবনতি ঘটাতে পারে। এই কারণে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স স্বল্প সময়ে দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করে চিকিৎসা প্রাপ্তিকে গতিশীল করে। এসব বিশেষায়িত উড়োজাহাজে ভেন্টিলেটর, ডিফিব্রিলেটর, কার্ডিয়াক মনিটরসহ পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ সুবিধা থাকে এবং চিকিৎসক ও প্যারামেডিকের বিশেষ দল রোগীর সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করেন।
দুই ধরনের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সেবা
এয়ার অ্যাম্বুলেন্স মূলত দুই ধরনের। ফিক্সড উইং এবং রোটারি উইং।
ফিক্সড উইং এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বলতে জেট অথবা টার্বোপ্রপ উড়োজাহাজকে বোঝানো হয়। দীর্ঘ দূরত্বে আন্তঃশহর বা আন্তর্জাতিক রোগী পরিবহনে এসব উড়োজাহাজ কার্যকর ভূমিকা রাখে। বৃহৎ কেবিন হওয়ায় উন্নত আইসিইউ সেটআপ স্থাপন করা সম্ভব হয় এবং দূরপাল্লার ভ্রমণে রোগী আরাম ও স্থিতিশীল চিকিৎসা পেয়ে থাকে।
অন্যদিকে রোটারি উইং অর্থাৎ হেলিকপ্টার অ্যাম্বুলেন্স স্বল্প দূরত্বে দ্রুত স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। বড় রানওয়ের প্রয়োজন না থাকায় দুর্গম এলাকা, দ্বীপাঞ্চল বা হাসপাতালের নির্দিষ্ট ল্যান্ডিং প্যাডে সহজেই ওঠানামা করতে পারে। জরুরি ভিত্তিতে বেড টু বেড সার্ভিস প্রদানে হেলিকপ্টারই সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মতামত