কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় মিয়ানমার সীমান্তের ভেতরে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার ভোরে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কোনাপাড়া এলাকার পূর্ব দিকে মিয়ানমার সীমান্তে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এই গোলাগুলি হয়।
তবে গোলাগুলি মিয়ানমারের ভেতরে কোন কোন পক্ষের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্র জানায়, গোলাগুলির সময় ছোড়া কয়েকটি গুলি বাংলাদেশের ভেতরে এসে পড়ে।
গুলিগুলো হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বালুখালি পাড়া ও তেলিপাড়া এলাকায় এসে পড়ে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আলম ও মোহাম্মদ হোসাইনের বসতঘরের টিনে গুলি আঘাত হানে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
গোলাগুলির ঘটনায় সীমান্ত পাড়ের মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান এলাকাবাসী।
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সিরাজুল ইসলাম লালু বলেন, ভোরে ফজরের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় মিয়ানমার সীমান্তের দিক থেকে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাই। আমাদের বাড়িঘর সীমান্তের খুব কাছাকাছি হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছি। কখন গুলি এসে গায়ে লাগবে সেই ভয় কাজ করছে। নিরাপদ থাকার জন্য আমরা বাড়ির কাছাকাছি রাস্তায় অবস্থান করছি।
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন।
এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম বলেন, গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে।
মতামত