এলাকাবাসীর অভিযোগ, তিতাস কর্মকর্তাদের মাসোয়ারা না দেওয়া বাড়িগুলোতেই কেবল অভিযান চালানো হয়েছে। ভূমিপল্লী এলাকার বাসিন্দারা জানান, বৈধ সংযোগ থাকা সত্ত্বেও অনেকের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে। পরে অফিসে যোগাযোগ করলে রাইজার ঠিক করে দেওয়ার নামে ৪০-৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। এমনকি তিতাস গ্যাসের ডিজিএম মনজুরুল আজিম মোহনের উপস্থিতিতেই এক বাড়িওয়ালা অভিযোগ করেন যে, কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে ছয় মাস অন্তর অন্তর টাকা আদায় করা হচ্ছে।
রহস্যজনক লুকোচুরি সকাল ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে গণমাধ্যমকর্মীদের তথ্য দিয়ে সহায়তা না করার অভিযোগ উঠেছে তিতাস গ্যাসের ম্যানেজার আসাদুজ্জামান আজাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, অনৈতিক লেনদেনের পথ সুগম রাখতেই সাংবাদিকদের এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অভিযান সংশ্লিষ্টরা। আসাদুজ্জামান আজাদ যোগদানের পর থেকে ওই এলাকায় দুর্নীতি ও গোপনে অর্থ আদায়ের অভিযোগ বেড়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে তিতাসের ডিজিএম মনজুরুল আজিম মোহন বলেন, অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান কঠোর। অনিয়মের দায়ে ইতোমধ্যে টিমের একজনকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কোনো কর্মকর্তা জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না। অবৈধ সংযোগকারীদের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
মতামত