স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার বিকেলে ওই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করা হয়। এর প্রতিবাদে সকাল ১১টায় বিদ্যালয়ের মূল গেট থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি স্থানীয় বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্কুল চত্বরে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সর্বস্তরের জনসাধারণ অংশ নেন।
প্রতিবাদ সভায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলে, শিক্ষকরা যেখানে অভিভাবক, সেখানে এমন অশালীন আচরণ করলে আমরা কোথায় নিরাপদ? আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
সমাবেশে দারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম প্রদীপ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মশিউল আযমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, উক্ত শিক্ষক অতীতেও এ ধরনের আপত্তিকর আচরণ করেছেন। অবিলম্বে তাঁকে স্কুল থেকে স্থায়ী অব্যাহতি ও গ্রেফতারের দাবি জানান তাঁরা।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী ইমাম হোসেন জানান, শিক্ষার্থীর যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষককে ইতোমধ্যে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে লিখিত জবাব সন্তোষজনক না হলে তাঁর বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতামত