সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফতুল্লা থানার পূর্ব দেলপাড়া এলাকার চানাচুর ফ্যাক্টরি সংলগ্ন একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর ফারজানা আক্তার মুন্নি প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানালে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জাহাঙ্গীর আলমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম ঢাকার বাসিন্দা হলেও ফতুল্লার পূর্ব দেলপাড়া এলাকায় জমি কিনে বসবাস করছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফারজানা আক্তার মুন্নির এটি দ্বিতীয় সংসার। আগের সংসারে তার দুটি সন্তান রয়েছে। বর্তমান সংসারে তাদের দেড় বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, ঘটনার আগে জাহাঙ্গীর আলমকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়। পরে তিনি ঘুমিয়ে পড়লে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলায় আঘাত করা হয়। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতেরও আলামত রয়েছে। তবে এসব বিষয় তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহ ও পরকীয়াজনিত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
মতামত