অভিযোগকারীদের দাবি, নির্বাহী প্রকৌশলী ব্যক্তিগত প্রয়োজনে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করেন। এছাড়া প্রকল্পের বিল ও ফাইল অনুমোদনের ক্ষেত্রে ঠিকাদারদের কাছ থেকে অর্থ দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। কয়েকজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে দাবি করেন, অর্থ না দিলে ফাইল নিষ্পত্তিতে অযৌক্তিক বিলম্ব করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তার পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের নামে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সম্পদ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের রায় প্রকাশিত হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, মামুন বিশ্বাস অতীতে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি এ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ এ্যাবের কার্যক্রমেও যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।
এ বিষয়ে এলজিইডির সাবেক সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী সফিউল আলম বর্তমানে পঞ্চগড়ের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকতে পারে এবং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার অনুরোধ জানান।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন বিশ্বাস সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল লতিফ বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং অনিয়মের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক বলেন, সরকারি সম্পদ ব্যবহারে নির্ধারিত বিধি মেনে চলার নির্দেশনা রয়েছে। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে দুর্নীতি দমন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ক্যামেরার সামনে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
মতামত